বিচার আইন মোতাবেক হয়েছে কিনা দেখবে আদালত

Thursday, May 19, 2016

BGচট্টগ্রাম: নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রণিকে নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী দুই বছর সাজা দেওয়া প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছেন, আইনের ব্যাপার। ম্যাজিস্ট্রেট যেখানে তার বিচার করবেন সেই বিচার ঊর্ধ্বতন আদালত সবসময় দেখবেন। সেটি দেখার দায়িত্ব তাদের।

‘ম্যাজিস্ট্রেট আইন মোতাবেক বিচার করেছেন কিনা উচ্চতর বিচারকরা দেখবেন। উচ্চ আদালত ভেরি অ্যাকটিভ। কাজেই তারা সেখানে যেতে পারেন। অনেকে যাচ্ছেনও। যদি কোনো আইনগত ত্রুটি থাকে তবে উচ্চতর আদালতে সুবিচার পাবেন। ’

বৃহস্পতিবার (মে ১৯) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২০১৬ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন সিইসি।

সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচনী আইনের কোনো আলাদা বিষয় নয়। নির্বাচনী আইনেও সাজা হবে। দেশের প্রচলিত আইনেও সাজা হবে। কাজেই প্রচলিত আইন, নির্বাচনী আইনের বরখেলাপ সবই যোগ দেওয়া হবে। একটি অপরাধ হলে সেটি সব আইনেই কাভার করে। কাজেই আইনের যেসব বিষয় আছে সবই প্রযোজ্য হবে। এটা আপনাকে আইনজ্ঞরাই বলতে পারবেন। আমি নই।

সিইসির বক্তব্যের সূত্র ধরে উপস্থিত নির্বাচন কমিশনের সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, কোনো বিচারক যখন বিচার করেন তখন স্বাধীনভাবে বিচার করেন। তারা নির্বাচন কমিশনে হয়তো সহায়তা করতে এসেছেন, তারা নির্বাচন কমিশনের অধীন এ কথাটি সঠিক নয়। একজন বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট, হোন তিনি জুডিশিয়াল বা নির্বাহী, তিনি যখন বিচার করবেন স্বাধীনভাবে বিচার করবেন। তার ঊর্ধ্বতন আদালত আছে, সেখানেই আপিল হবে। দুই বছর বেশি হয়েছে মনে হলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আপিল অথরিটি আছে। তার কাছে গেলে তিনি দেখবেন সেটি বেশি হয়েছে না কম হয়েছে।

‘নির্বাচন কমিশন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে বলে দেবে না, তুমি তিন বছর, দুই বছর, এক বছর, দুই দিন বা এক দিন সাজা দেবে। সেটি তার সিদ্ধান্ত। যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, ওই অপরাধের যে শাস্তি আছে তার আলোকে তিনি সাজা দেবেন। নির্বাচন কমিশন ম্যাজিস্ট্রেটকে বলে দেওয়ার কোনোরকম এখতিয়ার নেই কত দিনের সাজা দেবেন। ’

গত ৭মে বেলা সোয়া ১২টার দিকে হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর থেকে নির্বাচনে দায়িত্বরত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে রণিসহ নয়জনকে আটক করা হয়। জব্দ তালিকায় বলা হয়, রনির কাছে একটি নাইন এমএম পিস্তল, ১৫ রাউন্ড গুলি ও ২৬ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এরপর তাদের হাটহাজারী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

পরে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত রণিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ২০১৬ এর দুটি ধারায় এক বছর করে মোট দুই বছর কারাদণ্ড দেন। পরদিন রোববার সকালে রণিকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। রণির বিরুদ্ধে হাটহাজারী থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

এ ঘটনার পর থেকে নগর ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন রণির মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করে আসছে।


সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি পাবে বিএনপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আবারও আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিকে চাকরিপ্রার্থীদের মানববন্ধন , সমাবেশ ও স্মারকলিপি

সরি বলে ক্ষমা প্রার্থনা করলে বাংলার মানুষ নৌকা মার্কাকে ফিরিয়ে দেবেনা: হুইপ স্বপন 

আর্জেন্টিনা-জার্মানির অঘটনের পর মানসিক চাপে ব্রাজিল ?

লক্ষ্মীপুরে শীর্ষ তিন জামায়াত নেতা কারাগারে

ভুল বোঝাবুঝির অবসান : ক্ষমা চেয়ে কাদেরের পক্ষে স্লোগান দিলেন এমপি একরাম

২৩ জেলা প্রশাসক পদে রদবদল

নোয়াখালীতে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে তারুণ্যের সাইকেল মার্চ অনুষ্ঠিত

নোয়াখালীতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ ​​​​​​উদ্ধার

জার্মানিকে হারিয়ে দ্বিতীয় অঘটন জাপানের

দেশে এখন সরকার হটানোর চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে: কাদের

কুমিল্লায় ১০ শর্তে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি

কাগজ সংকটে পাঠ্যবই ছাপা নিয়ে সংশয়

বড়সড় ধাক্কা খেল সৌদি আরবের ফুটবল দল

এই সম্পর্কিত আরো