স্থানীয় এমপি’র প্রচেষ্টায় হাতিয়ায় আলোর মুখ দেখছে বিদ্যুৎ প্রকল্পটি

বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৯, ২০২১


কণ্ঠ রিপোর্ট : অবশেষে  হাতিয়ায় আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে এমপি আয়েশা আলীর দাবি ও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি। পাশাপাশি  যুগ যুগ ধরে অব্যাহত থাকা বিদ্যুতের তৈল চুরি, অবৈধ সংযোগ, অনিয়ম, বিদ্যুৎ ভোগান্তি চিরতরে বন্ধ হতে যাচ্ছে। এবছর ডিসেম্বর থেকেই হাতিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ঢাকা সিটির সাবেক মেয়র আনিসুল হকের মালিকানাধীন মোহাম্মদী গ্রুপের দেশ এনার্জি লিমিটেড কোম্পানী। কোম্পানীটির সাথে ১৫ বছর মেয়াদে ১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন হেভি ফুয়েল ওয়েল (এইচএফও) ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে এক হাজার ৩৯৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

গতকাল বুধবার (২৮ এপ্রিল) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ সংক্রান্ত চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সভায় কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে দেশ এনার্জি লিমিটেড কোম্পানীর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে প্রতিষ্ঠানটির জিএম মেজর (অব:) মো. জাভেদ হাসান হাতিয়া কণ্ঠকে বলেন, আমরা ইতোমধ্যে হাতিয়ায় একটি বাসা ভাড়া নিয়েছি। সয়েল টেস্টের কাজ শেষ করেছি। গতকাল প্রকল্পটি অনুমোদন হওয়ায় ঈদের পর পরই হরেন্দ্র মার্কেট এলাকায় কাজ শুরু করা হবে। জায়গাটি খুবই নিচু, তাই আরো ৩/৪ ফুট উচু করতে হবে। এরপর মূলকাজ শুরু করা হবে। আমরা দৃঢ় আশাবাদী এবছর ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করা হবে এবং নিয়মিত উৎপাদনে যাবে। আমাদের কোম্পানীর উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ১২ দশমিক ১০ সেন্টে কিনে নেবে সরকার – যা পিডিবির তত্ত্বাবধানে নিঝুম দ্বীপসহ সমগ্র হাতিয়ায় সরবরাহ করা হবে।

এ ব্যাপারে এমপি আয়েশা ফেরদাউস আজ দুপুরে হাতিয়া কন্ঠকে জানান, হাতিয়ার সবচেয়ে বড় ও মৌলিক সমস্যা দু’টি। একটি হলো নদীর ভাঙ্গন ও অপরটি হলো বিদ্যুৎ। আমার প্রচেষ্টায় দ্রুত বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হচ্ছে। নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে মূল হাতিয়ার ২২শ কোটি টাকার কাজটি আগামী অর্থ বছরে শুরু হতে পারে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার প্রতি তথা হাতিয়াবাসীর প্রতি খুবই আন্তরিক। প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় হাতিয়া দ্বীপের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আলোর মুখ দেখছে এবং আরও দেখবে ইনশাল্লাহ।

উল্লেখ্য, হাতিয়ার পিডিপির বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি যুগ যুগ ধরে তৈল সরবরাহকারী ঠিকাদার, স্থানীয় প্রকৌশলী,  নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত একশ্রেণির ব্যক্তিদের কাছে ব্যক্তিগত বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। এ কেন্দ্রটির জন্য সরকার প্রতিমাসে ৪০ থেকে ৫০ হাজার ব্যারেল ডিজেল ও ৫ হাজার ব্যারেল মবিল সরবরাহ করে আসছে- যা দিয়ে জেনারেটিং সিস্টেমে ওইসব তেল পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার কথা। অথচ তৈল সরবরাহকারী ঠিকাদারের যোগসাজশে, স্থানীয় প্রকৌশলী,  নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত কর্মকর্তারা ইঞ্জিন বন্ধ রেখে অথবা ইচ্ছেকৃতভাবে  বিনা তেল-মবিলে ইঞ্জিন স্টার্ট দিয়ে ইঞ্জিন পুড়িয়ে বিকল করে রেখে বরাদ্ধকৃত তৈলের বেশিরভাগ চোরাইভাবে বিক্রি করে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এ নিয়ে হাতিয়া কণ্ঠসহ জাতীয় দৈনিকে বহু লেখালেখি করেও কোন সুফল হয় নি। হাতিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদন এখন বেসরকারী সেক্টরে চলে যাওয়ায় ওইসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের মাথায় যেন বজ্রাঘাত পড়েছে।

‘হাতিয়া ৭.৫ মেগাওয়াট হাইব্রিড বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্প বন্ধ হওয়ার প্রকৃত কারণ:

(হাতিয়া কণ্ঠ: প্রকাশের তারিখ- ২৩/১২/ ২০১৮)

স্টাফ রিপোর্টার :  নোয়াখালীর হাতিয়া একটি দ্বীপ উপজেলা। এখানে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ খুবই কম। পুরাতন ইঞ্জিনগুলো বিকল হয়ে যাওয়ায় সরকার ‘হাতিয়া ৭.৫ মেগাওয়াট হাইব্রিড বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রকল্পটি অনুমোদনের পর কাজটিও শুরু হয়েছিল। এতে  বিদ্যুতের আলো পাওয়ার আগেই স্থানীয় জনগণের হৃদয় বিদ্যুৎ ছাড়াই আলোকিত হয়ে উঠে। বিধিবাম,  শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি  ‘হাইব্রিড বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র’ প্রকল্পটি। শুধু তাই নয়, প্রকল্পটি শেষ না করেই সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে হাতিয়া বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়।

হাতিয়ার  বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক ২০০৯ সালের ২০ অক্টোবর হাতিয়া সফরে যান। এর চার মাস পরে তার সভাপতিত্বে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। তাতে হাতিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের কথা বিবেচনা করে ৩.৫ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সুপারিশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদনও করেন। তা আমলে নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অ্যাকশন প্ল্যান তৈরির জন্য অনুরোধ করা হয়। সে অনুযায়ী ৫ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অ্যাকশন প্ল্যান বিদ্যুৎ বিভাগে দেয়া হলে তা অনুমোদন করে। এরপরে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জায়গা, প্লান্টের আকার, প্রযুক্তি নির্মাণ ও ফিজিবিলিটি স্টাডি করার জন্য একটি কমিটিও করা হয়। এভাবে সব প্রক্রিয়া শেষ করে ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য একটি প্রকল্প তৈরি করে তা পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়।

বরাদ্দের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বেশি অর্থ ব্যয় করা হয়েছে গাড়িসহ পরিবহন খাতে। ভূমি অধিগ্রহণেও বেশি করে ব্যয় করা হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ না থাকলেও কনসালটেন্সি সার্ভিস খাতেও ব্যয় করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বরাদ্দের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি টাকার চুক্তি করা হয় এ খাতে। যা আর্থিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী। এভাবে প্রকল্পের প্রায় অঙ্গে অঙ্গে অনিয়ম করা হয়েছে। ফিজিবিলিটি স্টাডি করার পরও আলোর মুখ দেখেনি ‘হাতিয়া ৭.৫ মেগাওয়াট হাইব্রিড বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র’ । তারপরও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পিসিআর জমা দেয়নি বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় থেকে। যা খুবই নিয়ম ভঙ্গের সামিল। তাই দেরিতে হলেও এসব অনিয়মের ব্যাখ্যা চেয়েছে আইএমইডি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিপিডিপি। আইএমইডির এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ ব্যাপারে কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম এ প্রতিবেদককে বলেন, প্রকল্পের সব কাজে অনিয়ম হয়েছে। অর্থাৎ রাষ্ট্রের অর্থ তসরুপ করা হয়েছে। কারণ প্রকল্প শেষ হলো না। তারপরও গাড়ি কেনা হয়েছে, পরিবহনের জন্য অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। জনগণের কাছে ভূমি নেয়া হয়েছে। যারাই এ অনিয়মের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত। কারণ তারা নিয়ম নীতির তোয়াক্কাই করেননি। তাদের স্বেচ্ছাচারিতা ভয়াবহ আকার ধারণ করায় সব কিছু গোপন করে পিসিআরও জমা দেয়নি।

সার্বিক ব্যাপারে জানতে যোগাযোগ করা হলে প্রকল্পের শেষ পিডি প্রকৌশলী রাশেদুল হাসান এ প্রতিবেদককে বলেন, যা হওয়ার আগেই হয়েছে। প্রকল্প বন্ধের পর আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। তাই কিছু করা সম্ভব হয়নি। এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে বিস্তারিত জানার জন্য বিদ্যুৎ ভবনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

ওই প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয় প্রত্যন্ত হাতিয়ার দ্বীপ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানীর ব্যবহার সৃষ্টির জন্য ৭.৫ মে.ও. ক্ষমতা সম্পন্ন হাইব্রিড বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র (৫.৫ মে.ও ডিজেল, ১ মে.ও সোলার এবং ১ মে.ও বায়ু বিদ্যুৎ) নির্মাণ করা জন্য প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। এ জন্য সব প্রক্রিয়া শেষে ২০১২ সালের ২ মে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাতে ব্যয় ধরা হয় ১৩১ কোটি টাকা। এর মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এডিপির অর্থায়ন ধরা হয় প্রায় ৯৫ কোটি টাকা, বাকি অর্থ সরকারি কোষাগার থেকে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত হয়। আর বাস্তবায়নকাল ধরা হয় ২০১২ সালের মার্চ থেকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

আইএমইডির সমাপ্তি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই নির্ধারিত সময় শেষে ২০১৪ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকল্পটি সংশোধন করে এক বছর সময় বাড়ানো হয়। প্রকল্প উন্নয়ন প্রস্তাবনায় পরিবহনের জন্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ৬৫ লাখ টাকা। কিন্তু নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ব্যয় করা হয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। অপরদিকে, ২৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়নের জন্য ব্যয় প্রাক্কলন করা হয় ৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা। কিন্তু ১৮ একর ভূমির জন্য ব্যয় করা হয়েছে ৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এ ছাড়া পিডিসহ কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতার জন্য ব্যয় করা হয়েছে ৩৭ লাখ টাকা। অপরদিকে, ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালটিং সার্ভিস টার্নকিতে ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকার জায়গায় ব্যয় করা হয়েছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। কোনো টার্নকি চুক্তি করা না হলেও এ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। যা নিয়ম বহির্ভূত। তাই এর ব্যাখ্যা চেয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষন ও মূল্যায়ন বিভাগ।

সূত্র আরো জানায়, যেখানে সংশোধন করে প্রকল্পের সময় বাড়িয়ে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর শেষ হয়ে যায়, সেখানে কনসালটেন্সি সার্ভিসের সঙ্গে ২০১৬ সালের ২২ আগস্ট পর্যন্ত চুক্তি করা হয়। ডিপিপিতে ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও তাতে ৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকার চুক্তি করা হয়। যা আর্থিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী। অতিরিক্ত মেয়াদে কেন এ চুক্তি করা হলো তারও ব্যাখ্যা চেয়েছে আইএমইডি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প পরিচালক হিসেবে বিপিডিপির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রায়হানুল হক দায়িত্ব পালন করেন ২০১২ সালের ২ ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে। তারপরও উৎপাদনের পর্যায়ে যায়নি প্রকল্পটি। কাজ অসমাপ্ত রেখে প্রকল্পটি তিনিই সমাপ্ত ঘোষণা করেন। আলোর মুখ দেখেননি হাতিয়াবাসী।
তারপরও সব মিলে এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে নয় কোটি ১৪ লাখ টাকা। এর পুরোটাই পানিতে গেছে। তাই নিয়ম বহির্ভূতভাবে কেন অতিরিক্ত অর্থমূল্যে ও অতিরিক্ত মেয়াদে চুক্তি করা হয়েছে তার ব্যাখ্যা চেয়েছে আইএমইডি। শুধু তাই নয়, কোনো প্রকল্প শেষ হলে প্রকল্প মূল্যায়ন প্রতিবেদন তিন মাসের মধ্যে আইএমইডিতে পাঠানোর নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু তা আমলে নেয়নি বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়। এ প্রকল্পের পিসিআর দিয়েছে দুই বছর পর। যা নিয়ম বহির্ভূত কাজ বলে আইএমইডি থেকে জানানো হয়। এসব অনিয়মের কারণে ‘হাতিয়া ৭.৫ মেগাওয়াট হাইব্রিড বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন’ কাজে কোন টেন্ডারই হয়নি।

 


সেনবাগে এক মাদ্রসার ১০ছাত্রকে বলৎকারের অভিযোগ

নোয়াখালীতে ডিবির হাতে দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ঢাকা থেকে বিভিন্ন রুটে ভাড়ার তালিকা

জনগণের ‘মুক্তির কাফেলা’ গণতন্ত্র মঞ্চের আত্মপ্রকাশ

আসুন রাজপথে ফয়সালা হবে: বিএনপিকে ওবায়দুল কাদের

এই সরকারকে আর সময় দেওয়া যাবে না : ফখরুল

বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদকে ভূষিত ৫ নারী

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমলো

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে অটোরিকশার ধাক্কা, প্রাণ গেল যুবকের

তেল কিনছে সরকার, দেশে আসলে কমবে দাম

নোয়াখালীতে আইনজীবী ফোরামের প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল

ছদ্মবেশে চুরি করাই তাদের পেশা: গ্রেফতার ২

দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে করোনা শনাক্তের কিট আবিষ্কার

মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও আমার মা জীবনভিক্ষা চাননি: শেখ হাসিনা

চার সম‌ঝোতা স্মারক সই করল বাংলা‌দেশ-চীন

এই সম্পর্কিত আরো