শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে

বৃহস্পতিবার, মে ১২, ২০২২


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রনিল বিক্রমাসিংহে। তিনি দেশটির ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) নেতা। শ্রীলঙ্কাভিত্তিক ডেইলি মিররের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১২ মে) সন্ধ্যায় দেশটির প্রেসিডেন্টের দপ্তরে তিনি শপথ নেন।

এরপর আশীর্বাদ পেতে ওয়ালুকারমা মন্দিরে যান ৭৩ বছর বয়সী রনিল।

এর আগে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ে রাজাপাকসের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন বিক্রমাসিংহে। মাহিন্দা রাজাপাকসের পদত্যাগের পর প্রধানমন্ত্রী পদ নিয়ে বেশ জল্পনা-কল্পনা চলছিল দেশটিতে।

বিক্রিমাসিংহে ১৯৯৩ সাল থেকে শ্রীংলংকার পাঁচবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।তবে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ কখনোই তার মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। তাকে পশ্চিমপন্থী মুক্তবাজার সংস্কারবাদী হিসাবে দেখা হয়।

রনিল বিক্রমাসিংহের জন্ম রাজনৈতিক পরিবারে, ১৯৪৯ সালের ২৪ মার্চ। রনিল সিলন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি নিয়েছেন।

সত্তরের দশকের মাঝামাঝিতে ইউএনপির রাজনীতিতে যোগ দেন তিনি। সেসময় তিনি কেলানিয়া নির্বাচনী এলাকায় প্রধান সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৭ সালে প্রথমবারের মতো দেশটির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জুনিয়াস রিচার্ড জয়েবর্ধনের ভাইপো তিনি। জয়াবর্ধনের নতুন সরকার গঠিত হলে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী হন তিনি। এরপর যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। তিনি সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে যুব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেন। পরে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

প্রেসিডেন্ট রানাসিংহে প্রেমাদাসার সরকারে শ্রমমন্ত্রী ছিলেন তিনি।

১৯৯৩ সালে প্রেসিডেন্ট প্রেমাদাসাকে হত্যা করা হলে সেসময়কার প্রধানমন্ত্রী ডি বি উইজেতুঙ্গা প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। আর উইজেতুঙ্গার প্রধানমন্ত্রীর পদে স্থলাভিষিক্ত হন রনিল বিক্রমাসিংহে।

১৯৯৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণা চলাকালে গামিনী দিশানায়েক হত্যাকাণ্ডের পর ওই বছরের নভেম্বরে রনিলকে বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচিত করা হয়।

২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারি দেশটির প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপাল সিরিসেনা তাকে ফের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।

২০১৫ সালের সংসদীয় নির্বাচনে বিক্রমাসিংহের দলীয় জোট ইউনাইটেড ন্যাশনাল ফ্রন্ট ফর গুড গভর্ন্যান্স ১০৬ আসন লাভ করে। কিন্তু নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভে ব্যর্থ হওয়ায় শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির ৩৫ সদস্যকে নিজ মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফের নির্বাচিত হন।

কিন্তু ২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর শ্রীলঙ্কার রাজনীতিতে হয় রদবদল। তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেন প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপাল সিরিসেনা। তার স্থলে তৎকালীন সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।

তবে ২০১৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর সিরিসেনা পুনরায় তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর ২০ নভেম্বর তিনি পদত্যাগ করেন এবং মাহিন্দা রাজাপাকসে প্রধানমন্ত্রী হন।

২০২০ সালের সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তিনি জয়ী হতে পারেননি। তিনি বর্তমানে ইউএনপির কলম্বো জেলার সংসদ সদস্য। ২২৫ আসন বিশিষ্ট দেশটির পার্লামেন্টে তার দলের আসন মাত্র একটি।


চাটখিলে ১৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বিতরণ  

নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ, পুলিশের বাধায় ছত্রভঙ্গ

নোয়াখালীতে ৯টি ক্লিনিক সিলগালা

রোববারের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ না হলে ব্যবস্থা

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে চাকরি, বেতন ৭৫০০০

কুসিক নির্বাচন : আচরণবিধি ভেঙ্গে জরিমানা গুনলো রিফাত-কায়সার

চিরনিদ্রায় শায়িত গাফ্‌ফার চৌধুরী

কবিরহাটে বড় ভাইকে পিটিয়ে হত্যা:ছোট ভাই গ্রেফতার

হাতিয়ায় দুইটি ফিসিং ট্রলার জব্দ, ২০ হাজার টাকা জরিমানা

যে পদ্ধতিতে জুনে শুরু হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ

হাতিয়ায় চোরাই গরুসহ দুইজন আটক

মিজানুর রহমান আজহারীকে নিয়ে স্ট্যাটাস, পদ হারালেন ছাত্রলীগ নেতা

প্রেমের টানে ভারতীয় তরুণী ফেনীতে

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে ঢাবিতে লাশ চায় বিএনপি: কাদের

এই সম্পর্কিত আরো