সন্ত্রাস ও নাশকতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে -প্রধানমন্ত্রী

সোমবার, মার্চ ১৬, ২০১৫

ঢাকা: আমাদের সংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি।pm_71698 সন্ত্রাস ও নাশকতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এখনো রাজনীতির নামে জঙ্গিবাদী তৎপরতা, সন্ত্রাস, নাশকতা, মানুষকে পুড়িয়ে হত্যাসহ নানাভাবে মানুষের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালানো হচ্ছে।

রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এ সেমিনারের আয়োজন করে।

‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণের একটি’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ পড়েন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হারুন-অর-রশিদ। আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেসবাহ কামাল ও কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য মো. শাহিনুর রহমান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান। স্বাগত বক্তব্য দেন মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্যসচিব শেখ হাফিজুর রহমান এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশুরা হোসেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা মানুষের অধিকার পদদলিত করতে চায়, দেশকে এগিয়ে যাওয়ার পথে বাধা দেয়, সেই অপশক্তির বিরদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর এখনই সময়। এ ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণই নতুন প্রজন্মসহ দেশবাসীকে রুখে দাঁড়াতে প্রেরণা জুগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, দেশের যেকোনো ধরনের বাধা অতিক্রম করে সারা বিশ্বে বাঙালি জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি শক্তি ও সাহস জুগিয়ে যাবে।

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীতে আর একটি ভাষণও নেই, যে ভাষণটি ৪৪ বছর ধরে মানুষ শুনছে, বাজানো হচ্ছে। ভাষণটি কত কোটি বার, কত মাস, কত ঘণ্টা, কত সময় ধরে বেজেছে, কত কোটি মানুষ শুনছে-তার হিসাব কেউ বলতে পারবে না। পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোনো শ্রেষ্ঠ ভাষণ মানুষ এতবার শোনেনি। তিনি বলেন, ‘এই ভাষণ দেওয়ার আগে অনেকেই অনেক পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকে। আমার মা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব রাজনীতির ক্ষেত্রে পর্দার আড়ালে থাকলেও দেশের স্বাধীনতা, সংগ্রাম ও বাঙালির মুক্তির প্রশ্নে তাঁর অপরিসীম অবদান, প্রজ্ঞা কোনো দিন জাতি ভুলবে না। ওই দিন আমার মা তাঁকে কিছু সময়ের জন্য সবার থেকে আলাদা করে নিয়ে একান্তে চিন্তা করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন।’


ডিএনসিসি হাসপাতালে ২ রোগীর শরীরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট

ঈদের দিনে ঝরে গেল আরও ২৬ প্রাণ, শনাক্ত হাজারের নিচে

ভাসানচরে উৎসব মুখর পরিবেশে রোহিঙ্গাদের প্রথম ঈদ উদযাপন

খালেদা জিয়ার ঈদ সিসিইউতে

ঈদ জামাতে করোনামুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া

গৃহবন্দী ঈদ : ছিল না চিরাচরিত কোলাকুলি আর করমর্দন

দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ইদ শুভেচ্ছা

লাশের মিছিলে আরও ৩১ , শনাক্ত ১২৯০

ফেসবুকে তরুণীদের প্রেমের ফাঁদের শিকার ধনাঢ্য তরুণরা

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৮৪

ফের বাড়ছে লকডাউন, বিশেষ ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ

১৭ তম বিয়ের জন্য প্রস্তুত ১৫১ সন্তানের পিতা

হোটেল রুমে নারীর সঙ্গে বাবুলকে দেখে চমকে উঠেন মিতু

কোম্পানীগঞ্জে কার্টুন দেখা নিয়ে ঝগড়া অভিমানে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা  

নোয়াখালীর তিন গ্রামে ঈদের নামাজ আদায়

এই সম্পর্কিত আরো