সরকারকে রক্ত ঝরানোর জবাব দিতে হবে: ফখরুল

সোমবার, মার্চ ২৯, ২০২১


ঢাকা : মোদিবিরোধী আন্দোলন করার সময় হেফাজতে ইসলামের কয়েকজন কর্মীর প্রাণহানির ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিনে সাধারণ মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে সরকার। রক্ত ঝরানোর জন্য ও প্রাণ যাওয়ার জন্য সরকার দায়ী। তার জবাব সরকারকে দিতে হবে।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মানুষকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছে। সরকারের নির্দেশে এমন হত্যাযজ্ঞ হয়েছে। তারা বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে। এসবের খেসারত সরকারকে দিতে হবে।

মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, রমজানকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এই সরকার সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে না। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের ন্যায্য দাবি সরকার ভারত থেকে আদায় করতে পারছে না। সীমান্তে গুলি করে হত্যার কোনো বিচার হয় না। তাই সরকারের পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় অতীতের স্বৈরাচার সরকারগুলোর মতো পরিণতি হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে আমাদের এই সরকার ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক করেছে, অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। ভালো কথা। আমরাও চাই প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক সুন্দর হোক, সুষ্ঠু হোক। কিন্তু এই সরকার খুব পরিকল্পিতভাবে অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসার পর থেকে তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। বাংলাদেশের মানুষের যে আশা-ভরসা, তা শেষ করে দিয়েছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে আহ্বান জানাতে চাই, আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই, এই ভয়াবহ দানব সরকারকে সরিয়ে দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করি। স্পষ্ট ভাষায় আওয়ামী লীগকে বলতে চাই, আপনারা অবিলম্বে পদত্যাগ করুন, নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন। অন্যথায় প্রতিটি বিকৃত সরকারকে যেভাবে পদত্যাগ করতে হয়েছে, আপনাদেরও একইভাবে বিদায় নিতে হবে।’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠিত করেছে। আমরা গত কয়েকদিন ধরে লক্ষ্য করেছি, এই সরকার তার পেটুয়াবাহিনীসহ নিরীহ মানুষদের ওপর অত্যাচার করেছে, হত্যা করেছে, গ্রেপ্তার করেছে। আমাদের দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুন রায়সহ ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের অনেক নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে। আমরা খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, এভাবে কখনো একটি দেশ চলতে পারে না।’

সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, নাজিম উদ্দিন আলম, আজিজুল বারী হেলাল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আব্দুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ও দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন বক্তব্য দেন।

এছাড়াও কাজী আবুল বাশার, মুনসী বজলুল বাসিত আনজু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম নকী, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক হাবীবুর রশীদ হাবিব, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে খালেদা জিয়াকে

করোনা উপসর্গ নিয়ে উপসচিব মারুফ হাসানের ইন্তেকাল

সারাদেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৪ জনের মৃত্যু

মৃত্যুর মিছিলে ভারত, একদিনে আক্রান্ত ২ লাখ প্রায়

করোনার মৃত্যুর মিছিলে কবর খুঁড়তে আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার

বায়তুল মোকাররম উড়িয়ে দিলে দুর্নীতিবাজ কমে যাবে: কাদের মির্জা

হাতিয়ায় কঠিন লকডাউন ভঙ্গ করে ইউএনওর ইফতার পার্টি

সুবর্ণচরে সুইসাইড নোট লিখে স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা

হাতিয়ায় দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

হাতিয়ায় আওয়ামীলীগ দলীয় চেয়ারম্যানপ্রার্থীর দুই কর্মীকে কুপিয়ে জখম

দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েও করোনা আক্রান্ত সাংসদ বাদশা

নোয়াখালীতে ৭৬ মামলায় ১লক্ষ ৫হাজার টাকা জরিমানা

করোনায় মারা গেলেন আবদুল মতিন খসরু

সম্মিলিত শক্তি দিয়ে করোনাকে পরাজিত করতে হবে- কাদের

মামুনুল হকের ‘স্ত্রী’রা নিখোঁজ কেন ?

এই সম্পর্কিত আরো