অর্থমন্ত্রী পে-স্কেল নথি বাসায় নিয়ে গেলেন

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৫

04_267680

ঢাকা : লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগে পাঠানো অষ্টম বেতন স্কেলের নথি এবং এ সংক্রান্ত নিজের দেয়া সুপারিশ, মতামত, পরামর্শ ও মন্তব্যসম্বলিত যাবতীয় নথিপত্র বাসায় নিয়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তিনি নিজেই যাবতীয় বিষয় পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণপূর্বক বেতন কাঠামোর অসঙ্গতিসমূহ দূর করার চেষ্টা করতেই এসব নথি বাসায় নিয়ে গেছেন বলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে গত পরশু অর্থমন্ত্রীকে না জানিয়ে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মতামতের জন্য পাঠানো বেতনক্রম সংক্রান্ত নথি মঙ্গলবার লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগের সচিব সহিদুল হককে নিজ দপ্তরে ডেকে ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। একইসঙ্গে নিজ বিভাগের সচিব মাহবুব আহমেদকে বেতনক্রম সম্পর্কে তার মতামত বা সুপারিশ বিষয়ে লেখা নথি তার কাছে (অর্থমন্ত্রীর কাছে) জমা দিতে নির্দেশ দেন।
অষ্টম বেতনক্রম চূড়ান্ত অনুমোদনের আগেই প্রশাসন ক্যাডার বহির্ভূত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সরকারি চাকরিজীবী এবং কর্মচারীরা আন্দোলন সংগ্রাম শুরু করেন। বিশেষ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের পদ অবমাননার শঙ্কায় তারা ক্ষুব্ধ হন। পর্যায়ক্রমে এখন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা বাদে প্রায় সকল স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আন্দোলন করছেন।
গত ৭ সেপ্টেম্বর নতুন বেতনক্রম ঘোষণা করা হয়। কথা ছিল আবুল মাল আব্দুল মুহিত ১৬ অক্টোবর দেশে ফিরলে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে। কিন্তু তার আগেই যে প্রস্তাবটি গেজেট করার জন্য লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগে পাঠানো হয়। তাতে ক্ষোভ নিরসন দূরের কথা বরং একে আরও উস্কে দেয়া হয়েছে। কারণ মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত প্রস্তাবে বলা ছিলো, গেজেট জারি না হওয়া পর্যন্ত সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল সুবিধা অব্যাহত থাকবে। কিন্তু লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগের পাঠানো প্রস্তাবে ৩০ জুন ২০১৫ তারিখের পরবর্তী সময়ে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল যারা পেয়েছেন তাদের সেই সুবিধা রহিত করা হয়।

ওই প্রস্তাবে সকল ক্যাডারের জন্য উন্মুক্ত করা গ্রেড ১ ও গ্রেড ২ পদটি একটিমাত্র ক্যাডারের দখলে থাকার সুযোগ তৈরি করা হয়। আবার চাকরিতে প্রবেশের সময় ক্যাডার কর্মকর্তারা ৮ম গ্রেডে আর নন-ক্যডারের ক্ষেত্রে ৯ম গ্রেডের সুবিধা দেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। যদিও ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল সার্ভিসের জন্য ৩০টি পদকে গ্রেড ১ এবং ২০টি পদকে গ্রেড-২ এ উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছিলেন। যদিও এটি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রছাড়া আজও বাস্তবায়ন করা হয়নি। প্রশাসন ক্যাডার বহির্ভূত কর্মকর্তাদের পদোন্নতির মাধ্যমে গ্রেড ৩ ও ৪ প্রাপ্ত হওয়ার সীমিত সুযোগ রয়েছে। তবে সিলেকশন গ্রেড লাভ করে কেউ কেউ গ্রেড ১ ও গ্রেড ২-এর সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে। তবে বিদ্যমান ব্যবস্থায় কারিগরি পদে অধিষ্ঠিতরা কখনোই গ্রেড ১ বা ২ এ উঠতে পারবেন এমন সম্ভাবনা কম। এ নিয়েই ক্ষোভ-বিক্ষোভ ছড়াচ্ছে নানাদিকে।


করোনায় আরও ৫১ জনের মৃত্যু

জিয়ার লাশ নিয়ে তুমুল তর্ক-বিতর্ক

বেগমগঞ্জে ১০ টাকার জন্য রিকশা চালককে কুপিয়ে হত্যা

নানার বাড়িতে বিদ্যুৎপৃষ্টে দশম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু

নোয়াখালীতে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণে গোলাগুলি,গুলিবিদ্ধ-১

ভাসানচর থেকে ৬ রোহিঙ্গা দালাল আটক

সুবর্ণচরের ওসির সিম ক্লোন করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

বিয়ে হয়ে গেল ৮ ছাত্রী’র, ক্লাসে নার্গিছ এখন একা

কাটেনি ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

টিকা নিলেও স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

২৭ সেপ্টেম্বরের পর খুলছে বিশ্ববিদ্যালয়

করোনায় মৃত্যু ২৭ হাজার ছাড়াল

বিদ্যালয়ে রাতে উড়ল জাতীয় পতাকা, ৫ শিক্ষককে শোকজ

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে কবিরহাটে  বিতর্ক প্রতিযোগিতা

এই সম্পর্কিত আরো