বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের হিড়িক

শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০১৫

Primary-schoolপ্রতিবেদক :বেসরকারি হাইস্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগের জন্য পিএসসির আদলে কমিশন গঠনের ঘোষণায় শিক্ষক নিয়োগের হিড়িক পড়েছে স্কুল কলেজে। এমনকি একটি কলেজে একসাথে ৯৮ জন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে। আরেকটি কলেজে ৬৮ জন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে। এক দিনে একটি পত্রিকায় ২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

কমিশন গঠনের ঘোষণার পর আগের তুলনায় বিজ্ঞাপন প্রচার বেড়েছে তিন গুণ। আর শিক্ষক নিয়োগ বেড়েছে ১০ গুণেরও বেশি। কমিশন গঠন সংক্রান্ত খবর প্রচারের আগের এক মাস এবং পরের এক মাসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায় শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত কমিশন গঠনের খবর প্রচারের আগের মাসে একটি পত্রিকায় ৮১টি বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়েছে। আর কমিশন গঠনসংক্রান্ত খবর গণমাধ্যমে প্রচারের পরের ২৩ দিনে ওই একই পত্রিকায় ২২৫টি বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়েছে।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, নিয়োগবাণিজ্য বন্ধের আশঙ্কায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমিশন গঠনের আগেই যত বেশি সম্ভব শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে রাখতে চায় এবং গণহারে এ শিক্ষক নিয়োগের পেছনে রয়েছে ঘুষ আদায়ের পরিকল্পনা।  বেসরকারি হাইস্কুল, মাদরসা ও কলেজে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমানে একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রয়োগ করে যথাক্রমে ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি। শিক্ষক নিয়োগের জন্য ডোনেশনের নামে প্রকাশ্যে ঘুষ নেয়া খুবই সাধারণ ব্যাপার। যেখানে প্রকাশ্যে ডোনেশন বাণিজ্য নেই সেখানে লাখ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি খুবই ওপেন সিক্রেট সারা দেশে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাচ্ছে তুলনামূলক কম যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা। তা ছাড়া নিয়োগের ক্ষেত্রে রয়েছে রাজনৈতিক এবং ক্ষমতার নানামুখী প্রভাব। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ঘুষ বাণিজ্যসহ এসব অনিয়মই নিয়ম হিসেবে চলছে দীর্ঘ দিন ধরে।

যুগের পর যুগ শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এসব অনিয়মের প্রতিকার লক্ষ্যে গত ১৪ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে ঘোষণা দেয়া হয় শিক্ষক নিয়োগে কমিশন গঠনের কথা। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানান, বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষার মাধ্যমে। এ লক্ষ্যে পাবলিক সার্ভিস কমিশন তথা পিএসসির আদলে একটি কমিশন গঠন করা হবে এবং এর নাম হবে বেসরকারি শিক নির্বাচন কমিশন বা এনটিএসসি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সারা দেশে কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষার মাধ্যমে জেলা ও উপজেলাভিত্তিক মেধা তালিকা বাছাই করা হবে। সে তালিকা থেকে নিয়োগ দেয়া হবে। মাস খানেকের মধ্যে এটি কার্যকর করার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। এটি কার্যকরের আগ পর্যন্ত বিদ্যমান শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম চালু থাকবে বলেও জানান তিনি। আর এ সুযোগেই কমিশন গঠনের আগে গণহারে শিক্ষক নিয়োগে মেতে উঠেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কমিশন গঠন হলে বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যে পরিচালনা কমিটি রয়েছে তাদের ক্ষমতা খর্ব হবে নিয়োগের ক্ষেত্রে।

শিক্ষক নিয়োগ কমিশন গঠনের ঘোষণা গত ১৪ অক্টোবর মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলেও এ বিষয়টি গত কয়েক মাস ধরে বলা হচ্ছিল সরকারের তরফ থেকে। শিক্ষক নিয়োগে কমিশন গঠনের লক্ষ্যে গত ছয় অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। একই সাথে এ চিঠি সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়।

শিক্ষক নিয়োগের হিড়িক
৬ অক্টোবর শিক্ষক নিয়োগ কমিশন গঠনের নির্দেশসংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আসার পর দিন থেকেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত খবর প্রচারিত ও প্রকাশিত হতে থাকে। এরপরই সারা দেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল কলেজে শিক্ষক নিয়োগের তোড়জোড় শুরু হয়ে যায়। কমিশন গঠনসংক্রান্ত খবর প্রচারিত হওয়ার পর শিক্ষক নিয়োগ কী পরিমাণ বেড়েছে সে চিত্র তুলে ধরার জন্য একটি প্রথম সারির জাতীয় দৈনিক পত্রিকার শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞাপন পর্যালোচনা করা হয়। এ জন্য চাকরির বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য সবার কাছে খুবই পরিচিত একটি প্রথম সারির জাতীয় দৈনিক পত্রিকা বেছে নেয়। কমিশন গঠনসংক্রান্ত ৬ অক্টোবরের চিঠি মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পরপরই এ- সংক্রান্ত খবর গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়। কমিশন গঠনের পর শিক্ষক নিয়োগ এবং বিজ্ঞাপন কী পরিমাণ বেড়েছে তা যাচাইয়ের জন্য অক্টোবর মাসের ৯ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত বিজ্ঞাপন পর্যবেক্ষণ করা হয়। আর কমিশন গঠনের ঘোষণার আগে কী পরিমাণ শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রচারিত হতো তা যাচাইয়ের জন্য সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ দিনের বিজ্ঞাপন পর্যালোচনা করা হয়। সেপ্টেম্বর মাসে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তিন দিন পত্রিকা বন্ধ থাকায় ২৫ দিনের পত্রিকা পর্যালোচনা করা হয়েছে।

এতে দেখা যায় গত সেপ্টেম্বর মাসে ২৫ দিনে ওই জাতীয় দৈনিকটিতে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে মাত্র ৮১টি। অন্য দিকে শিক্ষক নিয়োগ কমিশন গঠনের খবর প্রকাশের পর ৯ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর ২৩ দিনে ২২৫টি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে আরো দেখা যায় কমিশন গঠনের ঘোষণার আগের তুলনায় শিক্ষক নিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে ১০ গুণেরও বেশি। কমিশন গঠনের আগের বিজ্ঞাপনগুলোতে সাধারণত দুই-তিনজন করে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপন দেয়া হতো। মাঝে মধ্যে দু-একটি বড় বিজ্ঞাপন প্রচারিত হতো যেখানে সাত-আট বা ১০-এর ওপরে শিক্ষক চেয়ে বিজ্ঞাপন প্রচারিত হতো।
আর কমিশন গঠনের ঘোষণার পরের বিজ্ঞাপন বিশ্লেষণে দেখা যায় প্রায় বেশির ভাগ বিজ্ঞাপনে ৫ থেকে ৯ জন করে শিক্ষক চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ১০ থেকে ১৫ জন করে শিক্ষক চেয়েও বিপুলসংখ্যক বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়েছে।

কমিশন গঠনের পর অক্টোবর মাসে ২৩ দিনে প্রচারিত ২২৫টি বিজ্ঞাপন। বিশ্লেষণে দেখা যায় পাঁচ থেকে ছয়জন শিক্ষক চেয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে ১৯টি, ৭ থেকে ৯ জন করে শিক্ষক চেয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে ১৫টি, ১০ থেকে ১৪ জন শিক্ষক চেয়ে ১৫টি, ১৫ থেকে ১৯ জন পর্যন্ত শিক্ষক চেয়ে ৯টি এবং ২০-এর অধিক শিক্ষক চেয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে সাতটি। ২০-এর ওপরে ২২, ২৩, ২৪, ২৬, ৬৮ এবং ৯৮ জন পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে।
অন্য দিকে কমিশন গঠনের ঘোষণার আগে সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত ৮১টি বিজ্ঞাপন পর্যালোচনায় দেখা যায় পাঁচ থেকে ছয়জন শিক্ষক চেয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে মাত্র তিনটি। ৭ থেকে ৯ জন শিক্ষক চেয়ে চারটি, ১০ থেকে ১৪ জন শিক্ষক নিয়োগ চেয়ে চারটি এবং ২০ বা ততোধিক শিক্ষক চেয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে চারটি।

কমিশন গঠনের খবর প্রচারের পর একদিনে (১৩/১০/২০১৫) সর্বোচ্চ ২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচারিত হয়েছে একটি পত্রিকায়। এ ছাড়া এক দিনে ১৫ এবং ১৪টি বিজ্ঞাপনও প্রচারিত হয়েছে।

এক কলেজেই ৯৮ জন শিক্ষক নিয়োগ

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে অবস্থিত দনিয়া কলেজে একসাথে ৯৮ জন শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে গত ২২ অক্টোবর। বিজ্ঞাপনে দেখা যায় বাংলায় দুইজন, অর্থনীতিতে সাত, সমাজকল্যাণে সাত, দর্শনে দুই, ফিন্যান্সে ১২, কম্পিউটার সায়েন্স দুই, হিসাববিজ্ঞান সাত, ব্যবস্থাপনা ছয়, মার্কেটিং ৯, ইংরেজি ছয়, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ছয়, ইসলামী শিক্ষা দুই, ইতিহাস সাত, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দুই, মনোবিজ্ঞান এক, গার্হস্থ্য অর্থনীতি সাত, প্রাণরসায়ন ছয়, প্রাণিবিজ্ঞানে সাতজন শিক্ষক চাওয়া হয়েছে। সবই সৃষ্টপদে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে নিয়োগ দেয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া লালমনিরহাট কালীগঞ্জে অবস্থিত উত্তর বাংলা কলেজে ৬৮ জন শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে গত ২০ অক্টোবর। এখানে বাংলায় ছয়জন, মনোবিজ্ঞানে সাত, সমাজবিজ্ঞান আট, রাষ্ট্রবিজ্ঞান পাঁচ, দর্শন ছয়, ইতিহাস ছয়, অনার্সে গণিত পাঁচ, প্রাণিবিদ্যা পাঁচ, উদ্ভিদবিদ্যা পাঁচ, পরিসংখ্যান পাঁচ, ফিন্যান্স পাঁচ ও বিবিএ পাঁচজন। তবে অক্টোবরে কমিশন গঠন বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত প্রচারের আগে সেপ্টেম্বরেও এ বিজ্ঞাপনটি প্রচারিত হয়েছে।

সৃষ্ট পদে নিয়োগ

শিক্ষক নিয়োগে কমিশন গঠনের ঘোষণার পর গণহারে শিক্ষক নিয়োগের যেসব বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা যায় প্রায় ক্ষেত্রেই সৃষ্ট পদে শিক্ষক চাওয়া হয়েছে। অথচ কমিশন গঠনের আগে সাধারণত তিন থেকে চারজন শিক্ষক চেয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হতো এবং তার প্রায় সবই শূন্যপদে নিয়োগের জন্য।
কমিশন গঠনের ঘোষণার পর কী পরিমাণ সৃষ্ট পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে এখানে তার কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরা হলো। দনিয়া কলেজে ৯৮ জন শিক্ষক নিয়োগের যে বিজ্ঞপ্তি প্রচারিত হয়েছে তার সবই সৃষ্ট পদে। বিজ্ঞপ্তির শেষ দিকে উল্লেখ করা হয়েছে ‘বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত পদগুলো নবসৃষ্ট যা এমপিওভুক্তির যোগ্য নয়। তবে নিয়োগপ্রাপ্ত সব শিক্ষক-কর্মচারীকে সরকারি স্কেল অনুযায়ী কলেজের সাধারণ তহবিল অনুযায়ী বেতন ভাতা দেয়া হবে।’
মোহনপুর গার্লস ডিগ্রি কলেজ রাজশাহীতে ২২ জন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপনে ১৩ জন সৃষ্টপদে উল্লেখ করা হয়েছে।  স্যার আ: হা: গজনবী উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ ঘাটাইল ১২ জন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রচারিত হয়েছে যার মধ্যে ১১ জন প্রভাষদের পদ নবসৃষ্ট। নাখালপাড়া হোসেন আলী উচ্চবিদ্যালয়ে শূন্য এবং নবসৃষ্ট মিলিয়ে ১১ জন শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে।

ঘুষবাণিজ্যের অভিযোগ

বিপুলস্যংখক শিক্ষক চেয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে এ রকম কয়েকটি কলেজে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়েছে বিভিন্ন বিষয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা রাজধানীর একটি কলেজ সূত্র জানিয়েছে এখানে প্রার্থীদের কাছ থেকে সাবজেক্ট ভেদে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়েছে। নিয়োগ তদ্বিরের সাথে জড়িত এ রকম একজন চাকরি প্রার্থীকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে কোনো মন্ত্রী ধরে লাভ হবে না। টাকা দেবেন নিয়োগ হবে। কোনো কোনো জেলার সূত্র জানিয়েছে স্কুল কলেজ মাদারাসার এমন কোনো পদ নেই যেখানে নিয়োগের জন্য প্রকাশ্যে ঘুষ নেয়া হয় না। এমনকি কোথাও কোথাও পিয়ন পদে নিয়োগের জন্যও প্রকাশ্যে লাখ টাকা চাওয়া হচ্ছে।

রাজধানীর দনিয়া কলেজের অধ্যক্ষ মু. শাহাদাত হুসাইন রানার কাছে জানতে চাওয়া হয় একসাথে এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষক কেন নিয়োগ দেয়া হচ্ছে এবং এত শিক্ষকের দরকার আছে কি-না। তিনি বলেন, বর্তমানে এ কলেজে ১২টি বিষয়ে অনার্স পড়ানো হয়। আরো ১২টি বিষয়ে অনার্স এবং ২৪টি বিষয়ে মাস্টার্স খোলা হবে। অনার্স খুলতে হলে প্রতি বিষয়ে ৯ জন শিক্ষক থাকতে হয়। আর সাবজেক্ট খোলার আগেই শিক্ষক নিয়োগ দিতে হয় শর্ত অনুযায়ী। তিনি বলেন, কোনো অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না।

শিক্ষক নিয়োগবাণিজ্যের অভিযোগ নাকচ করে তিনি বলেন, অতীতে এ কলেজে নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়নি ও ভবিষ্যতেও এ অনিয়ম চলবে না এখানে। যারা এ অভিযোগ করেছে তারা হয়তো কোনো দালালের খপ্পরে পড়েছে এবং এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করছে। এর সাথে কলেজের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানান তিনি।


হাতিয়ায় বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

 আটকে গেল নোয়াখালী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন 

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হচ্ছেন ১৯ জন

নোয়াখালীতে জেলা পরিষদ নির্বাচন: ৬০ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

এডিবি থেকে ৫০ কোটি ডলার সহায়তা পাচ্ছে বাংলাদেশ

নোয়াখালীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত,শিক্ষার্থী ৪৩হাজার

  কোম্পানীগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

লন্ডন-নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

৭ অক্টোবর থেকে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা

নোয়াখালী জেলা কমিটির সভাপতি পারভেজকে গ্রেফতারে জাসদের নিন্দা

শারমিনের গল্প : একটি সাধারণ মেয়ের আত্মকথন (পর্ব-১৬)

কাল এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী

সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রের সন্দেহে নোয়াখালী জাসদের সভাপতি কারাগারে

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে- সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

সেনবাগে বিএনপির ৭৮ নেতাকর্মির বিরুদ্ধে মামলা

এই সম্পর্কিত আরো