খালেদার রিট নিষ্পত্তিতে তৃতীয় বেঞ্চ, সোমবার শুনানি

সোমবার, জুন ১৬, ২০১৪

khaleda
নিজস্ব প্রতিবেদক : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের মামলায় বিচারিক আদালতে অভিযোগ গঠনকারী বিচারকের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা রিট আবেদন নিষ্পত্তিতে হাইকোর্টে তৃতীয় বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। রবিবার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন খালেদার রিট আবেদনের নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি কাজী রেজাউল হকের একক বেঞ্চ গঠন করে দেন। একই সঙ্গে সোমবার এ বেঞ্চে রিটটির শুনানির দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ২৫ মে খালেদা জিয়ার এ রিট আবেদনের বিষয়ে বিভক্ত আদেশ দেয় হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। ফলে রিট আবেদনটি প্রধান বিচারপতির কাছে যায়। তিনি তৃতীয় বেঞ্চ গঠন করায় এ বেঞ্চে রিটটির নিষ্পত্তি হবে।
ওই দিন বিভক্ত আদেশ দেয় বিচারপতি ফারাহ্ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ। ওই বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ফারাহ্ মাহবুব বিচারকের নিয়োগ সংক্রান্ত গেজেট বিজ্ঞপ্তি আইন অনুযায়ী না হওয়ায় মামলা দুটির কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। অন্যদিকে ওই বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ মামলা দুটির বিচারের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারকের নিয়োগ প্রক্রিয়া আইনানুগ হয়েছে উল্লেখ করে খালেদার রিট দুটি সরাসরি খারিজ করে দেন।
গত ১২ মে খালেদা জিয়ার পক্ষে অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান এ রিট আবেদন দায়ের করেন। রিট বিবেচনাধীন থাকা পর্যন্ত মামলা দুটির বিচারিক কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশও চাওয়া হয়।
ঢাকার বিশেষ জজ-৩ বাসুদেব রায় ১৯ মার্চ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপস্থিতিতে ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ ও ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’ দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন করেন। ওই অভিযোগ গঠনের বৈধতার চ্যালেঞ্জ করে হাইকার্টে এসে নিষ্ফল হন খালেদা জিয়া। এরপর গত ১২ মে মামলা দুটির কার্যক্রম স্থগিত ও বিচারক বাসুদেব রায়ের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। ইতিমধ্যে সরকার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ঢাকার বিশেষ জজ-৩ অস্থায়ী আদালত বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেগম জিয়ার কৌঁসুলিদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা দুটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১৯ জুন নির্ধারণ করেছে বিশেষ জজ আদালত। বেগম জিয়ার আবেদনে বলা হয়, হাইকোর্টে মামলা দুটির ব্যাপারে দুটি রিট মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই অবস্থায় বিশেষ জজ আদালত মামলার কার্যক্রম শুরু করতে পারে না।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুদকের করা এই দুটি মামলায় অভিযোগ গঠনকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেন খালেদা।
২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ মামলাটি করেন। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক খালেদা জিয়া, তার ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়।


রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে ডেলটার বিপজ্জনক প্রভাব

দেশে একদিনে ৮৫ মৃত্যু, ৭২ দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত

করোনা ও উপসর্গে ১১ জেলায় মৃত্যু অর্ধশতাধিক

হাতিয়ায় আওয়ামীলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

হাতিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসে ভয়াবহ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

নোয়াখালীতে আরও ১১৫ জনের করোনা শনাক্ত

নোবিপ্রবি লকডাউন ঘোষণা

পরিকল্পিতভাবেই এগোচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী

একনেক সভায় ১০ প্রকল্পের অনুমোদন

বেগমগঞ্জে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল কাপড় ব্যবসায়ীর, আহত ২

নোয়াখালীতে করোনা আরও ৬৯ জনের

৭ জেলায় ৭ দিনের লকডাউন মঙ্গলবার থেকে

নোয়াখালীতে অস্ত্রসহ ১২ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে ২৪ ঘন্টায় করোনা শনাক্তের হার ২৩ শতাংশ

ওবায়দুল কাদেরকে কটূক্তিকারীর শাস্তির দাবিতে নোয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল

এই সম্পর্কিত আরো