চলতি বছরের মধ্যে নির্বাচন চাইলেন ড. কামাল

বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৮, ২০১৯

image-66714-1553711207ঢাকা : গত ৩০ ডিসেম্বর যে নির্বাচন হয়েছে তা ‘ভোট ডাকাতির’ নির্বাচন। এই নির্বাচন জনগণ মেনে নেয়নি। এজন্য চলতি বছরেই নতুন করে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেন।

বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি আলোচনা সভায় বক্তব্য দিচ্ছিলেন কামাল হোসেন। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গণফোরাম এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়ে ড. কামাল বলেন, ‘আমি বলব, এখন তো কয়েক মাস হয়েছে। দ্রুত নির্বাচনের একটা কর্মসূচি ঘোষণা করেন, তিন মাস-ছয় মাস যাই হয় এই বছরের মধ্যে একটা প্রকৃত অর্থে দেশে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করে যারা প্রকৃত অর্থে নির্বাচিত হবেন, তাদের কাছে ক্ষমতা বুঝিয়ে দেন।’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা বলেন, ‘মিথ্যা বারবার বললেই তা সত্য হয়ে যায় না, মিথ্যা মিথ্যাই থাকে। দেশের মানুষ কোনো বিশৃঙ্খলা চায় না, আমরা সংঘাত ও সংঘর্ষ চাই না। এতে দেশের অর্থনৈতিক শাসন ব্যবস্থা ও দেশের অনেক ক্ষতি হয়। তাই গঠনমূলক কথা বলছি। তাই বলছি, দেশে দ্রুত একটি অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করেন।’

কামাল হোসেন বলেন, ‘কাল্পনিকভাবে নির্বাচনে আগের রাতে ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় গিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা প্রতারণার শামিল। এভাবে শুধু আমাদের সঙ্গে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে না, শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আজীবন ক্ষমতায় রাখার জন্য তারা জীবন দেয়নি। জনগণের ভোটের অধিকারের জন্য তারা জীবন দিয়েছে। গণতন্ত্রের জন্য জীবন দিয়েছে। শহীদদের সঙ্গে এমন প্রতারণার নজিরবিহীন। জনগণকে ক্ষমতা ভোগ করতে হলে জনগণকে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিতে হয়।’

সরকারের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাবেক এই নেতা বলেন, ‘তারা কী মনে করে? তারা সারাজীবন এভাবে চলতে পারবে? এভাবেই জনগণ তাদের মেনে নেবে? না জনগণ মেনে নেবে না। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে সংসদ গঠিত হয়। তারা কবে ভোট নিলেন? কবে নির্বাচিত হলেন, যে বলেন, পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতা আছি। ২৯ ডিসেম্বর রাতে কে ভোট দিয়েছে? ৩০ ডিসেম্বর কার সৌভাগ্য হয়েছিল ভোট দেওয়ার?’

‘অথচ আপনারা সবাইকে ভোট দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে ক্ষমতা নিয়ে নিলেন। এভাবে একটা ঘোষণার মাধ্যমে ক্ষমতা নেওয়া যায়-এটা চিন্তাও করা যায় না। এভাবে ভোট করা যায় না, দাবিও করা যায় না।’

সরকারের উদ্দেশে কামাল বলেন, ‘দেশের জনগণ ক্ষমতার মালিক। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। সংবিধানে এই কথা উল্লেখ রয়েছে। আর এই সংবিধানে এক নম্বর স্বাক্ষর হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে অপমান করবেন না।’

প্রবীণ এই নেতা বলেন, ‘হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ দেশের বাইরে পাচার হয়ে যাচ্ছে। অনেকে ভয়ে মুখ খুলছেন না গুম, হত্যা ও অপহরণের ভয়ে। তারা বুঝেছেন, প্রশ্ন করতে গেলেই খুন, গুম, হত্যার শিকার হবে। গুম-হত্যার ভয় দেখিয়ে বেশি দিন দেশ শাসন করা যায় না।’

ঐক্যফ্রন্ট নেতা অধ্যাপক আবু সায়ীদ বলেন, ‘এই দেশ রাজাকারদের না। এই দেশে বাদশাদের না। এই রাষ্ট্র প্রজাতন্ত্র। এই রাষ্ট্র জনগণের। সংবিধানে আমাদেরকে এই মালিকানা দেয়া হয়েছে। কিন্তু সেই মালিকানা লুট হয়ে গেছে। আমাদের কাজ সেই মালিকানা ফেরত আনা।’

গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু, সিলেট-২ আসন থেকে উদীয়মান সূর্য প্রতীকে নির্বাচিত মোকাব্বির খান, ড. রেজা কিবরিয়া, জগলুল আফ্রিক প্রমুখ বক্তব্য দেন।


ভাসানচর থেকে পালাতে গিয়ে ২৫ রোহিঙ্গা আটক

নোয়াখালীতে আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

হাতিয়ায় ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

হাতিয়ায় আধুনিক মৎস্য শিকার প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

হাতিয়ায় শপথ নিলেন ৮৪ ইউপি সদস্য

প্রাথমিকে উন্নীত স্কেলে বেতন নিশ্চিত করতে ডিপিই’র নির্দেশনা

দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

নোয়াখালীতে পূজামণ্ডপে হামলা: যুবদল-জামায়াতের গ্রেফতার ১১

আবাসিকে এলাকায় নতুন গ্যাস সংযোগ কেন নয়: হাইকোর্টের রুল

আইসিইউ থেকে কেবিনে এখন খালেদা জিয়া

উঠছে নিষেধাজ্ঞা : মধ্যরাত থেকে ইলিশ আহরণ শুরু

হাতিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৪ দোকানীকে জরিমানা

নোয়াখালীতে পরকিয়ার জেরে নববধূকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

হাতিয়ায় জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ

রেজা-নূরের নতুন দলের আত্মপ্রকাশ মঙ্গলবার

এই সম্পর্কিত আরো