শারমিনের গল্প : একটি সাধারণ মেয়ের আত্মকথন (পর্ব-১৬)

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২

           শারমিন আকতার রানা



কলেজে মেইন সাবজেক্টের সাথে দুটো সাবসিডারি সাবজেক্ট নিতে হতো।সেই বিষয়গুলো সিলেক্ট করতে গিয়ে একটা জায়গায় আমার আর বকুলের মাঝে মতবিরোধ সৃষ্টি হলো।দুজনেই ফিজিক্স সিলেক্ট করলেও অপর সাবজেক্ট হিসাবে আমি নিলাম কেমিস্ট্রি আর বকুল জিওগ্রাফি। ফলে কেমিস্ট্রির প্যাকটিকাল ক্লাসের দিন দুজনের দুই টাইমে ছুটি হতো।এজন্য বকুলকে অনুরোধ করেছিলাম সে যেন জিওগ্রাফি বাদ দিয়ে কেমিস্ট্রি নেয়। বকুল আমার কথাতো রাখলোই না উল্টো আমার মুখের সামনে মুলো ঝুলিয়ে রাখলো।সেতো ভালো করেই এই কয়দিনে বুঝে গিয়েছিলো, আমি বেড়াতে বড্ড ভালোবাসি।তাই টোপ হিসাবে পেশ করলো,জিওগ্রাফি বিভাগ থেকে স্টাডি ট্যুরে বিভিন্ন জায়গায় ম্যাডামেরা বেড়াতে নিয়ে যান।এখনো সময় আছে। তুমিই সাবজেক্ট চেঞ্জ করে ফেলো।এমনিতেই কেমিস্ট্রিতে খাটুনী বেশি।স্টাডি ট্যুরের লোভ সামলাতে না পেরে প্রিয় কেমিস্ট্রিকে জলাঞ্জলি দিয়ে অবশেষে বকুলের ফেলা বরশির টোপ গলাধঃকরণ করে ফেললাম।ধীরে ধীরে নতুন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতেও শিখে যাচ্ছিলাম। আমরা গণিতের পনেরো জনের একটা গ্রুপ ফজলুর রহমান স্যারের কাছে কোচিং করা শুরু করলাম। ফলে এ গ্রুপের সবার সাথে ভালো সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিলো।এদের মাঝে পরবর্তীতে দুই আসমা(একই নামের দুজন ছিলো),রাজু,আফসানা,শ্রাবন্তী,কণা,উর্মি,সোনিয়ার সাথে একটু বেশিই মিশতাম। আবার কখনো কখনো গ্রুপের সবাই মিলে ঘুরতে বেরুতাম। এর অংশ হিসাবে দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে যেতাম আবার বিশেষ দিনগুলোতে যেমন- পহেলা বৈশাখ বা বসন্তের প্রথম দিনে সবাই শাড়ী পড়ে মাথায় ফুল গুঁজে রমনাপার্ক এবং চারুকলায় হাঁটাহাঁটি করতাম।আবার কখনো কারো বার্থ ডে থাকলে সবাই মিলে বার্গার খেতাম,যার জন্মদিন তাকে বই উপহার দিতাম আর সব শেষে সবাই মিলে বলাকায় এ উপলক্ষে একটা সিনেমা দেখে ফুরফুরে মন নিয়ে বাসায় ফিরতাম। সবচেয়ে মজা হতো রিক্সায় করে বাসায় ফেরার সময়।ঐ সময় রিক্সায় উঠলেই আমার শুধু ঘুম আসতো।তাই জার্নি করার সময় বকুলের সাথে বকবক করতে করতে বাসায় ফিরতাম।তাতেও ঘুম না কাটলে রীতিমত তর্ক,ঝগড়াও করতাম।এতেও মাঝে মাঝে কাজ হতো না।তখন আমি রিক্সায় বসে বসে ঘুমাতাম আর বকুল আমাকে ধরে রাখতো যাতে পড়ে না যাই।বকুল আমার সব অত্যাচার হাসিমুখেই হজম করতো।বিশেষ করে বৃষ্টির দিনগুলোতে যখন রিক্সার হুড উঠাতে দিতাম না।বজ্রসহকারে বৃষ্টি হলে বকুল সাংঘাতিক ভয় পেতো।তখন আমি ওকে বলেছিলাম,ছোট বেলায় আমিও বজ্রপাতকে ভীষণ ভয় পেতাম।বিজলি চমকালে ভয়ে চোখ বন্ধ করে বলতাম,খাঝিলকী আসে।ড্যাডি তখন আদর করে বলতো,তুই হলি আমাদের খাঝিলকীর মা। হঠাৎ করে কদিন ধরে বমি হচ্ছিলো।খাবার থেকেও গন্ধ পাচ্ছিলাম।খাওয়া দূরে থাক গন্ধেই বমি হয়ে যাচ্ছিলো।অনেকটা তখন আমার অবস্থা আপার মতোই হয়েছিল। আপারও তখন প্রায় শরীর খারাপ থাকতো।নতুন অতিথিকে পৃথিবীতে আনার অপেক্ষার প্রহর গুণে সে ধৈর্য্য ধরে সব কষ্ট হজম করে যাচ্ছিলো।কিন্তু আমার কাছেতো রীতিমতো অসহ্য লাগছে।তাই মামনি,ড্যাডির সাথে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পর টেস্ট দিলেন।ধরা খেলো আমার জন্ডিস হয়েছে।ইতোমধ্যে শরীরও বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছিলো।তাই ডাক্তার পাঁচটা স্যালাইন শরীরে পুশ করার জন্য দিলেন।তাও লো ড্রপে।আর সম্পূর্ণ রেস্টে থাকতে বললেন।এভাবে সারাদিন শুয়ে থাকতে অসহ্য লাগতো।কোন বই নিয়ে দিনের পর দিন শুয়ে কাটানো আমার জন্য সবসময় আনন্দদায়ক।কিন্তু মুশকিল হলো বই পড়াও নিষেধ ছিলো।তাই সারাক্ষণ নিজের রুম বাদ দিয়ে ড্রয়িং রুমে শুতাম।কারণ ঐ রুমে বিছানায় শুলেও জানালা দিয়ে আকাশ দেখা যেতো।আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে পুরানো দিনগুলিতে ডুব দিতাম।সেসময়টাতে যে ভাবনাগুলোতে ডুব দিতাম তার কিছু কিছু পাঠকের সমীপে উপস্থাপন করতে চাই।

ভাবনাগুলো কখনো স্থির ছিলো না।সময় না মেপে একেকবার একেক সময়ে ছুটোছুটি করছিলো।অনেকটা আকাশে মেঘের লুকোচুরি খেলার মতো।এইতো চোখের সামনেই আমি দেখছি,ছোট্ট আমি গোলাপি ফ্রগ গায়ে দিয়ে আমারই সমান বিশাল এক পুতুলকে কোলে নিয়ে উঠানময় ছুটাছুটি করছি।একটা কথা চুপিচুপি বলে নিই।ছোট বেলায় গোলাপি আর লাল ড্রেসই আমাকে বেশি পড়তে হয়েছে। সবাই কেন জানিনা আমার জন্য সাধারণত এই দুই কালারের ড্রেসই কিনতো।এই পুতুলটি আমার ভীষণ প্রিয়।ঘুমের সময়ও কাছছাড়া করিনা।শুনেছিলাম, আমি হওয়ার খবর পেয়ে বড়মামা জামা,ক্লথ আর এই পুতুলটি নিয়ে আমাকে দেখতে এসেছিলেন।তখন থেকেই পুতুলটি আমার সার্বক্ষণিক সঙ্গী হয়ে গিয়েছিলো।সমস্যা শুধু একজায়গাতেই ছিলো।বড্ডা(আব্বার দাদি,যদিও আব্বারা সবাই দাদিকে দাদা বলেই সম্বোধন করতেন। ) পুতুলটি দেখলেই গজগজ করতে করতে পুকুরে নেমে যেতেন ওযু করার জন্য।উনি মনে করতেন, পুতুল দেখলে ওযু ভেঙ্গে যায়।উনার সরল মনে ধারণাটা এমন অদ্ভুত ভাবে পোক্ত হয়ে বসেছিলো যে কেউ তা থেকে একচুল নড়াতে পারেননি।তো এমনি এক বিকালে পুতুল নিয়ে উঠানে ছুটাছুটি করছি মনের আনন্দে।চার বছরের একটা বাচ্চার খেয়ালের বয়স তখনো হয়নি,তাই হয়তো দেখতেই পায়নি বড্ডা আছরের নামাজ পড়ার জন্য ওযু করতে পুকুরের ঘাটে যাচ্ছেন আর ওযু শেষে উপরে উঠেই পুতুল দর্শনে নতুন করে ওযু করতে পুকুরে নেমে যাচ্ছেন।শুকনো মৌসুম হওয়ায় পানি তখন পুকরের তলদেশে ছিলো।বয়সের ভারে নুয়ে পড়া শরীর এতটা দখল নিতে পারছিলো না।তবু তিনি অবিরাম ওযুই করে যাচ্ছিলেন। আর এভাবেই ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাচ্ছিলো।দাদু আর আম্মা যখন বিষয়টা খেয়াল করলেন তখন অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে।এতোবার ওযু করার পর বড্ডার মেজাজ তখন তুঙ্গে ছিলো।তাই দাদুও হয়তো এতোটা নিতে পারছিলেন না।একছুটে আমার কাছে এসে পুতুলটা নিয়ে গনগনে আগুন জ্বলা লাকরির চুলায় ফেলে দিলেন।এভাবেই আমার প্রিয় পুতুলটির সলীল সমাধি রচিত হলো।সত্যিই কী সলীল সমাধি হয়েছিলো?কই আজোতো আকাশের কোলে তাকিয়ে পুতুলটিকে ঠিকই অনুভব করছি।সেতো আমার কাছ থেকে কখনোই হারিয়ে যাইনি। পূর্ণিমার আলোয় যখন দ্বীপ হাতিয়া ভেসে যেতো তখন আমাদের বাতানখালির বাড়ির উঠানে বড় একটা চৌকি বের করা হতো।সেই চৌকিতে হুজানদাদু(আব্বাদের ফুফু) আয়েশ করে বসতেন।আর আমরা ছোটরা উনার চারপাশে গিজিগিজি করে বসতাম।হুজানদাদুর ছিলো রূপকথার রাজকন্যাদের মতো কাসকেড চুল আর দুধে আলতা গায়ের রঙ।এতোটা বয়সেও রূপের চ্ছটা একফোঁটাও কমেনি।বিশেষ করে চাঁদের আলোয় উনাকে দেখলে মনেহতো রূপকথার দেশ থেকেই ভুল করে আমাদের গল্প শোনাতে চলে এসেছেন।আর এমন মোহনীয় আয়েশি ভঙ্গীমায় গল্প বলা শুরু করতেন যে আমরা মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতাম।যখন গল্পগুলো টার্নিং পয়েন্টে যেতো তখন হঠাৎ চুপ করে যেতেন।আমরা যখন শোনার জন্য অস্থির হয়ে উঠতাম তখন আবার নতুন করে গল্পের মোড় ঘোরাতেন।গল্পের ভিতরের গীতগুলো ও উনি মধুর সুরে গেয়ে শোনাতেন।’বারো হাত কাঁকুড়ের তেরোহাত বিচি ‘র কাহিনী যখন শোনাচ্ছিলেন মনে হচ্ছিলো উনি প্রতিটি ঘটনারই প্রত্যক্ষ দর্শী। এতোটাই জীবন্ত ছিলো রূপকথাগুলো।গল্প বলা শেষে বাড়ির বড়রা চৌকি দখল করতো আড্ডা দেয়ার জন্য আর আমরা ছোটরা চাঁদ আর গাছদের মিষ্টি আলো-ছায়ার আঁধারীতে বৌচি,লুকোচুরি খেলায় মেতে উঠতাম।আর অমাবস্যার দিনগুলোতে আমরা ঘরের ভিতরে দাদাভাইকে(আব্বাদের চাচা) ঘিরে বসতাম।দাদাভাই আমাদের বিভিন্ন শোলক(ধাঁধাঁ) ধরতেন,খনার বচনগুলো শোনাতেন,আমাদের পূর্বপুরুষদের গল্প ও শোনাতেন।দাদাভাই যৌথপরিবারের প্রত্যেকের জন্ম তারিখ,উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী লিখে রাখতেন।আমরা ছোট বলে অবহেলা না করে সেসব আমাদের দেখতে দিতেন এবং ধৈর্য্যসহকারে যে কোন জিজ্ঞাসার উত্তর দিতেন।তবে সবচেয়ে বেশি জ্বালাতন করতাম আমরা হুজানদাদুকেই।এজন্য অবশ্য উনার গল্পের ভাণ্ডারই দায়ী ছিলো। উনার ছোটবেলার কাহিনীগুলো শুনতেও ভীষণ ভালো লাগতো আমাদের। বিশেষ করে যক্ষের গল্পটি প্রায় শুনতে চাইতাম। পানির দেশের মেয়ে হয়েও হুজানদাদু কখনো পুকুরে নামতেন না।ওনার মাঝে একধরনের অজানা ভয় কাজ করতো।উনি ভাবতেন, পুকুরে নামলেই যক্ষ এসে উনার পায়ের কড়ে আঙ্গুলে শিকল পড়িয়ে দিবে।এই ভয়ের বীজ উনার মনে সেই ছোট্ট বেলা থেকেই গ্রথিত হয়েছিল। ধীরে ধীরে তা মহীরুহে পরিণত হয়েছিলো।ছোট্ট বেলায় আমাদের পুরাতন বাড়ির পুকুরের পানির কাছে গেলেই অদৃশ্য কেউ নাকি উনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকতো।অন্য কেউ তা দেখতে পেতোনা।আবার ঘুমের মাঝে ও একই স্বপ্ন দেখে ঘেমে নেয়ে জেগে উঠতেন। তাই সবসময় পানির কাছ থেকে দূরে থাকতেন। এমনকি গোসলও করতেন তোলা পানিতে।যখন আমাদের পুরনো বাড়িটির কাছে নদী চলে এলো তখন একরাতে কেমন একধরনের শিকল টানা ঘর্ঘর আওয়াজ ভেসে এসেছিলো পুকুরের পাশটা থেকে। সকালে সেখানে গিয়ে দেখা গেলো থালার মতো বড় গোল কিছু একটা পুকুর পাড় থেকে নদী পর্যন্ত ঘষঁটে ঘষঁটে চলে গেছে।শুধু চিহ্নটুকুই পিছনে রয়ে গেছে। অসুস্থ অবস্থায় অন্য কারো কী হয় জানিনা, আমার সবসময় শুয়ে শুয়ে অপ্রয়োজনীয় বিক্ষিপ্ত অতিতুচ্ছ ভাবনা মাথায় ঘুরপাক খাই।সব সাধারণ ঘটনাবলীও নাটকের দৃশ্যের মতো দৃশ্যপট পাল্টায়।ঐতো স্পষ্ট কানে বাজছে,বড্ডা বাঘাকে বলছে,বাঘা তুই সুস্থ থাকতে কোন কষ্ট দিসনি,মরণকালে বুঝি কষ্ট না দিয়ে ছাড়বি না?ততক্ষণে বাঘার পিছনের পাদু’টো অবশ হওয়া শুরু হয়েছে।বাঘা উঠানে শুয়ে করুণ ছলো ছলো চোখে বড্ডার দিকে তাকালো।এরপর অবশ হওয়া শরীরটাকে টেনে হিঁচড়ে দুই জমিন পার করে তৃতীয় জমিনে গিয়ে মরে গেলো।সে কী দৃশ্য!নাটকের করুণদৃশ্যও বুঝি এ দৃশ্যের পাশে ম্লান হয়ে পড়ে।পাঠকের বুঝার সুবিধার্থে ঘটনার আরেকটু পিছনে যেতে চাই।আমাদের বাতানখালীর বাড়িতে বড্ডা হাঁস,মুরগী,কুকুর পালতেন।তবে লালন-পালনের ক্ষেত্রে উনি খুব কঠোর ছিলেন।হাঁস- মুরগী কখনো ঘরে ঢুকতে পারবেনা,উঠানে টয়লেট করতে পারবেনা।নির্দিষ্ট স্থানে টয়লেট সারতে হবে,বাঘার(কুকুর) ক্ষেত্রে ছিলেন আরো বেশি কঠোর।এখন ভাবতেও অবাক লাগে পশু,পাখিরা উনাকে এতোটা মান্য করতো কেন? আহারে!বাঘাতো মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েও উনার নির্দেশ অমান্য করেনি।তবে বাঘার জন্য উনার চোখেও পানি দেখেছি।চিরবিদায়ের আগ মুহূর্তে দুজনের চোখেই পানি দেখেছিলাম।যদিও তখন আমি নিতান্তই ছোট্ট শিশু। বুঝার মতো বয়স বা জ্ঞান কোনটাই আমার ছিলোনা। তবুওতো আজো ভুলিনি।

 

লেখক : হাতিয়ারই সন্তান ,জন্ম – ২৪/১২/৭৮ খ্রি:। তাঁর বাবা  মাহতাব উদ্দিন আহমেদ মিলন (ম্যানেজার সোনালী ব্যাংক), ড্যাডি আবু ইউসুফ হেমায়েত উদ্দিন আহমেদ বেলাল (অবসরপ্রাপ্ত জয়েন্ট সেক্রেটারি) ।  তিনি ইডেন কলেজ থেকে গণিতে অনার্স, মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তিনি বর্তমানে ঢাকায় গৃহিনী হিসেবে বসবাস করছেন। তাঁর লেখা ”একটি সাধারণ মেয়ের আত্মকথন” উপন্যাস বইটি পাঠকের কাছে খুবই সমাদৃত হওয়ায়  এর  কয়েকটি পর্ব  হাতিয়া কণ্ঠে প্রকাশের উদ্যোগ  নেওয়া হয়েছে । 


হাতিয়ায় বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

 আটকে গেল নোয়াখালী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন 

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হচ্ছেন ১৯ জন

নোয়াখালীতে জেলা পরিষদ নির্বাচন: ৬০ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

এডিবি থেকে ৫০ কোটি ডলার সহায়তা পাচ্ছে বাংলাদেশ

নোয়াখালীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত,শিক্ষার্থী ৪৩হাজার

  কোম্পানীগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

লন্ডন-নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

৭ অক্টোবর থেকে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা

নোয়াখালী জেলা কমিটির সভাপতি পারভেজকে গ্রেফতারে জাসদের নিন্দা

শারমিনের গল্প : একটি সাধারণ মেয়ের আত্মকথন (পর্ব-১৬)

কাল এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী

সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রের সন্দেহে নোয়াখালী জাসদের সভাপতি কারাগারে

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে- সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

সেনবাগে বিএনপির ৭৮ নেতাকর্মির বিরুদ্ধে মামলা

এই সম্পর্কিত আরো